চুনারুঘাটে ধর্ষণ করতে না পেরে স্বামীসহ আদিবাসী নারীকে মারধর!

প্রকাশিত: ৮:২৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০২৪

চুনারুঘাটে ধর্ষণ করতে না পেরে স্বামীসহ আদিবাসী নারীকে মারধর!

মামলা না দিতে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতার হুমকি

 

চুনারুঘাট সংবাদদাতা: হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের রেমা কালেঙ্গার অভয়ারণ্যের মঙ্গল্যাবাড়ী গারিংপাড়ায় আদিবাসী এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে একদল যুবক। ধর্ষণ করতে না পেরে যুবকরা তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করে হাত ভেঙে দিয়েছে। বর্তমানে তাদের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

ঘটনার দুদিন পরও থানায় মামলা হয়নি। মামলা না দিতে এক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা খলিল মিয়া ও তার বাহিনী আদিবাসী নারীকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।

 

স্থানীয়রা জানান- সোমবার সন্ধ্যার দিকে রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাওয়ায় পথে একই এলাকার ইউপি সদস্য খলিল মিয়ার ভাতিজা মেহেরুল্লার ছেলে মারুফ মিয়া ও ইসমাইল হোসেনের ছেলে এমতাজ মিয়া ওই নারীর গতিরোধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা মহিলাটির গালে মুখে কামড়ানো ছাড়াও শারীরিকভাবে শ্লীলতাহানি করে এবং পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেয়। এ সময় তার চিৎকারে স্বামী এগিয়ে এলে তাকেও পিঠিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা রাতে তাদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

 

এ ঘটনায় সাতছড়ি ত্রিপুরা পল্লীর হেডম্যান চিত্ত দেববর্মা, সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি জনক দেববর্মা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদের বিচার দাবি করেছেন। তারা বুধবার বিকালে চুনারুঘাট থানায় মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জনক দেববর্মা।

 

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি হিল্লোল রায় সাংবাদিকদের জানান- এ বিষয়ে এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ