ছাতকে ৪ মাসেও পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে নেই অগ্রগতি

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৪

ছাতকে ৪ মাসেও পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে নেই অগ্রগতি

ছাতক সংবাদদাতা: ছাতক উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে কাবিখা প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৯৭ মে. টন চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। ৩২ হাজার মে. টন চাল হলে প্রায় তিন কোটি ১০ লাখ চার হাজার টাকার ১৬টি প্রকল্পের কাজ না করেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কে এম মাহবুব রহমানের উপড়ে।

 

এদিকে, নিউজ প্রকাশের পর জেলা উপজেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তারই প্রেক্ষিতে ২৩সালের সেপ্টেম্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরের জামান চৌধুরী ৩সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ২সপ্তাহের ভিতরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলে ৪মাসেও কোন অগ্রগতি হয়নি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কে এম মাহবুব রহমান। তাঁর খুঁটির জোর খোঁজতেই মাঠে নেমেছেন এই প্রতিবেদক।

 

জানা যায়, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আফছর আহমদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও উপজেলা প্রকৌশলী আফছর আহমদ হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে ২৩সালের (৯নভেম্বর) মৃত্যুবরণ করেন। তার কিছুদিন পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরের জামান চৌধুরী বদলী হয়ে ঢাকা চলে যান। এরপর আর তদন্তের কোন অগ্রগতি হয়নি। নিউজ করে তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এমনই মন্তব্য করেন এ কর্মকর্তা।

 

জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কে এম মাহবুব রহমান ছাতকে যোগদানের পর থেকেই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ উঠে। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প সহ সকল প্রকল্পে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন কন্টেক্টর, ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানরা। টাকা ছাড়াই কোন ফাইল নড়ে না এখনও।

 

এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কে এম মাহবুব রহমান জানান, দূর্ণীতির বিষয়ে যারা অভিযোগ করেছিল তারা উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের সাথে আপোষ করেছে। তবে তদন্তে অগ্রগতির বিষয়ে তিনি কোন কথা বলেন নি।

 

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মুস্তফা মুন্না জানিয়েছেন, আমি যোগদানের পর এই বিষয়টা আজই জানলাম। এ বিষয়ে তিনি পদক্ষেপ নিয়ে পরে জানাবেন বলে আশ্বস্থ করেছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ